বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শরিফুল রোমান, মুকসুদপুর
“জাহানাবাদ এক্সপ্রেস” ও “রুপাসী বাংলা এক্সপ্রেস” নামে দুইটি ট্রেন ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল চলাচলকারী ট্রেন মুকসুদপুর রেল স্টেশনে স্টপেজের অপেক্ষায় প্রতিদিন এলাকার শতশত মানুষ স্টেশন মাস্টারের কাছে ভীড় করছেন।
গোপালগঞ্জ, নড়াইল, ফরিদপুর, যশোর ও খুলনাসহ পশ্চিম-দক্ষিণ অঞ্চলের প্রতিটি মানুষকে রেল সেবার আওতায় আনতে ঢাকা-যশোরের রুপদিয়া পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করেন।
রেল লাইন নির্মিত হওয়ায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন রেলপথে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রেলপথে যাতায়াত করবে। গত ২৪ ডিসেম্বর হতে খুলনা-ঢাকা-বেনাপোল রুটে আন্তঃনগর “জাহানাবাদ এক্সপ্রেস” ও “রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস” নামে দুটি চালু হওয়া ট্রেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর রেল স্টেশনে উপর দিয়ে নিয়মিতভাবে চলাচল শুরু করেছে।
মুকসুদপুর, সালথা ও বোয়ালমারীর সমন্বয়ে ত্রিমুখী জনপদের মিলনস্থল হলো মুকসুদপুর উপজেলা। ঐতিহ্য ইতিহাসের দিকে শত বছরের ঐতিহ্য ধারণ করে চলেছে মুকসুদপুর।অর্থনৈতিক গুরুত্ব, ভৌগলিক অবস্থান এবং অতিথিয়াতে বিবেচনায় মুকসুদপুরে অনেক অর্জনের মধ্যে মুকসুদপুর রেল স্টেশন একটি বড় অর্জন। যখন মুকসুদপুরের উপর দিয়ে মুকসুদপুর রেল স্টেশনে ট্রেন না থেমে দুরন্ত গতিতে যখন ট্রেন চলে যায় খুশির চেয়েও বেশি ক্ষোভ সঞ্চিত হচ্ছে মুকসুদপুরের জনগণের মধ্যে।
এব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের সাথে আলাপকালে তারা জানান সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে মুকসুদপুর রেল স্টেশন নির্মিত করেছেন সেখানে যদি ট্রেন স্টপেজ (বিরতি) না করে তাহলে রেল স্টেশন করে জনগণের লাভ হলো কি। মুকসুদপুরবাসী মনে করে ট্রেনটি মুকসুদপুর রেলস্টেশনে থামা উচিত।
এলাকার সুধীজন মনে করে যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগে সরকার তথা সংশ্লিষ্ট রেল প্রশাসন মুকসুদপুর রেল স্টেশনে সকল ট্রেন নূন্যতম সময়ের জন্য হলো যাত্রা বিরতি করবে। মুকসুদপুর রেল স্টেশন থেকে ঢাকা-খুলনা-বেনাপোলসহ সারা বাংলাদেশের রেলওয়ে যাত্রী সেবা পাবে।
এব্যাপারে মুকসুদপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল মতিন ভূঁইয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আপাত দৃষ্টিতে মুকসুদপুর রেল স্টশনে ট্রেন স্টপেজের সরকারের কোন পরিকল্পনা নেই। প্রতিদিন শত শত মানুষ রেল স্টেশনে এসে ট্রেন স্টপেজ করার জন্য স্টেশন মাস্টারের কাছে জোরালো ভাবে দাবি জানাচ্ছেন। এখানে ট্রেন স্টপেজ ব্যাপারে আমার কিছুই করনীয় নেই। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেন তাহলে মুকসুদপুর রেল স্টেশনে ট্রেন স্টপেজ করা সম্ভব।